Wednesday, September 25, 2019

প্রশাসনেও আসছে ‘শুদ্ধি’ অভিযান

প্রশাসনেও আসছে ‘শুদ্ধি’ অভিযান

   প্রশাসনেও আসছে ‘শুদ্ধি’ অভিযান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক


বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে সরকার। টেন্ডারবাজি, জুয়া, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গ্রেফতার হচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শুদ্ধি অভিযান আরও বিস্তৃত হবে।
সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযান জনপ্রশাসনেও আসছে, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।


Tuesday, September 17, 2019

নকল বিদেশি ওষুধ : দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ৪০ লাখ টাকা

নকল বিদেশি ওষুধ : দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ৪০ লাখ টাকা

নকল বিদেশি ওষুধ : দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ৪০ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
joypurhat online news 24.com 

বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ নকল, উৎপাদন ও বাজারজাত করায় রাজধানীর হাতিরপুলে সিলভেন ট্রেডিং এবং টোটাল ফার্মা নামক দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সহযোগিতায় মঙ্গলবার দুপুর এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জাগো নিউজকে বলেন, বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ নকল ও অনুমোদন ছাড়া বাজারজাত করা আইনত অপরাধ। কিন্তু সিলভেন ট্রেডিং এবং টোটাল ফার্মা সেই অবৈধ কাজটিই করে আসছিল। প্রতিষ্ঠান দুটি মিডফোর্ডে অবৈধভাবে বিদেশি ওষুধ নকল করে নিয়ে আসে। এরপর হাতিরপুলে নিজস্ব কার্যালয়ে প্যাকেজিং ও মোড়কজাত করে আসছিল।
জব্দকৃত ওষুধের মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ডের ওষুধ প্রফিমিয়া, আমেরিকার ট্যাবলেট বিসতা, ম্যাক্স ডি, ক্যাপসুল ভিটাল-ই প্লাস, ইস্তাম্বুলের ক্রিম বেটাসেলিক, ইলোকন, ডিফরিন ও হংকং এর শ্যাম্পুসহ ১৪ রকমের পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের ওষুধ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ওষুধের মধ্যে কোনোটার লেভেল ছিল না। কোনটির আবার শুধু লেভেল ছিল।
ধানমন্ডি এলিফেন্ট রোডের ১৮৫ রোজ ডিউ প্লাজাস্থ সিলভেন ট্রেডিং কোং এর মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা এবং কর্মচারী মো. নুরুল ইসলামকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে একই ভবনের টোটাল ফার্মা ও টোটাল হারবাল অ্যান্ড নিউট্রাসিউটিক্যাল এর মালিক এসএম হোসেন এবং ম্যানেজার এডমিন রফিকুল ইসলাম ভূইয়াকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযোগে অনুপস্থিত এরিস্টোক্রাট কেয়ারের মালিক মো. গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সারওয়ার আলম বলেন, বিদেশি ব্র্যান্ডের ওষুধ হিসেবে বাজারে বিক্রি করলেও ওইসব নকল ওষুধের নেই কোনো গুণগত মান। ভোক্তারা এই ধরনের প্রতারণামূলক ওষুধ ক্রয়ে প্রতারিত হচ্ছেন। অসুস্থদের চিকিৎসায় কোনো কাজে আসছে না।
রাখাইনে ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

রাখাইনে ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

রাখাইনে ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে এখনো ছয় লাখের মতো রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির তদন্তকারী একটি মিশন গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে তাদের এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের তদন্তকারী দল বলছে, বর্তমানে মিয়ানমারের যে পরিস্থিতি, তাতে বিতাড়িত হওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনের বিষয়টি অসম্ভবই হয়ে আছে। জাতিসংঘের ওই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন যে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তৈরি করেছে তা মঙ্গলবার জেনেভায় উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
রোহিঙ্গা নিধন অভিযান নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল গত বছর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে ২০১৭ সালে রাখাইনে পরিচালিত দেশটির সেনাবাহিনীর নিধন অভিযানকে গণহত্যা বলে উল্লেখ করে সেনাপ্রধানসহ দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের বিচারের আহ্বান জানায়।
জাতিসংঘের ওই তিন সদস্যের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের চেয়ারম্যান মারজুকি দারুশম্যান গত বছরের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন। যেখানে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হয়।
মিশনের চেয়ারম্যান মারজুকি দারুশম্যান বলেন, রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর একই রকম অপরাধী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিধন অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। তারপর প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।
মারজুকি দারুশম্যান বলেন, ‘আমরা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা ও গণহত্যা চালানোর মতো সব অভিপ্রায়ের প্রমাণ পেয়েছি। যুগ যুগ ধরে তারা (মিয়ানমারের নিরাপত্তাবাহিনী) পাশবিক এই অপরাধ করে এলেও তাদের কোনো বিচার হচ্ছে না।’
মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী হিসেবে স্থানীয় উগ্রপন্থী রাখাইন বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, নির্যাতন, তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশে এখন মোট রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি।