Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts

Sunday, March 22, 2020

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন রুটিন এপ্রিলে

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন রুটিন এপ্রিলে


এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন রুটিন এপ্রিলে

আরও পড়ুন

যশোর পৌর এলাকায় দোকানপাট বন্ধ ঘোষণাকোয়ারেন্টাইনে পুরো এলাকা, এ কী করল পুলিশ! (ভিডিও)বিমানবন্দর থেকে ৩ যাত্রী হাসপাতালেএপ্রিল থেকে করোনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে: খোকন
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে পরীক্ষার নতুন রুটিন জানানো হবে।

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক সময় সংবাদকে জানিয়েছিলেন, আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রশ্নপত্রও পাঠানো হয়ে গেছে। তবে, করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে, পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়া নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে দুঃশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৩, মোট ২৭

এদিকে, সূচি অনুযায়ী আগামী ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে শনিবার (২১ মার্চ) এই পরীক্ষার প্রবেশপত্র আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় দেশের সব শিক্ষাবোর্ড। এবার পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত এলো।

Saturday, March 21, 2020

এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে সোমবার

এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে সোমবার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  •  

    এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে সোমবার - ছবি : সংগৃহীত
    আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনার কারণে তা স্থগিত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সভা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোববার অথবা সোমবার পরীক্ষা পেছানের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা রয়েছে। এর পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরীক্ষা পেছানোর ঘোষণা দেবে। আগামী সোমবার পরীক্ষা পেছানোর ঘোষণ আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


    শনিবার দুপুরের পর থেকেই পরীক্ষা পেছানোর একটি গুজব সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন পরীক্ষা পেছানোর ঘোষণা এখনো দেয়া হয়নি। এই ঘোষণা দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দু’একদিন পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা হবে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে পরীক্ষা পেছানোর ঘোষণা দেয়া হবে পারে।

    অবশ্য আন্ত:জেলা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রামণ থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাখতে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় অবস্থান করতে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এমন পরিস্থিতিতে এ পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দেশের সব শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান সভা করে এই সিদ্ধান্ত নেন।
    জানা গেছে, ‘শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের সভায় পরীক্ষা পেছানের প্রস্তাব রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো কথা বলা হয়। ইতোমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকও স্থগিত হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র চলমান বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছে সব শিক্ষা বোর্ড।
    এ বিষয়ে আন্ত:শিক্ষাবোর্ড ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন করাটা কঠিন বিষয় হয়ে পড়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে সব শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান বসে সভা করেছি। সেখানে পরীক্ষা পেছানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ প্রস্তাব আগামী দুই-একদিনের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
    কতদিন পরীক্ষা পেছানো হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কতদিন এমন সংকট থাকবে সেটিও নিশ্চিত নয়। তাই স্থগিত করার প্রস্তাব করা হতে পারে। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।
    তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, করোনাভাইরাসের জন্য এইচএসসি পরীক্ষা ১ এপ্রিল শুরু না করে এটি ঈদুল ফিতরের পর আয়োজন করার প্রস্তাব দেয়া হতে পারে। এরপর সুবিধামতো সময়ে এ পরীক্ষা আয়োজন করা যেতে পারে। তবে শিক্ষার্থীরা যাতে সেশনজটে না পড়ে, সেটি মাথায় রেখে এইচএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছানো ও কেন্দ্র প্রস্তুতসহ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ করা পর্যন্ত পুরো প্র্রক্রিয়ার সাথে কয়েক লাখ কর্মকর্তা, শিক্ষক জড়িত। তার সাথে সারাদেশে ১১ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় বসার কথা রয়েছে। পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে কর্মকর্তা-শিক্ষকদের সভা করতে সমবেত হতে হয়। এতে করে একে অপরের সংস্পর্শে এসে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরীক্ষা স্থগিত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। দু’একদিন পরে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হতে পারে।
    করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ইতোমধ্যে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে কোচিং সেন্টারগুলোও। একাধিক অভিভাবক বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা স্কুল-কলেজের পাশাপাশি কোচিং ও প্রাইভেট নির্ভর। সহপাঠীদের সাথেও শেয়ারিং করে পড়াশোনা করে। সরকার শিক্ষার্থীদের বাসায় থাকতে বলেছে। এখন তারা কীভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে।
    সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারাও আতঙ্কে আছেন। সরকার সভা-সমাবেশ এড়িয়ে চলার সতর্কতা জারি করায় এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে গত সোমবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীন সব পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিবের সভা ডাকা হলেও তা স্থগিত করা হয়।

    উল্লেখ্য, আগামী ১ এপ্রিল বাংলা (অবশ্যিক) প্রথমপত্র দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ৪ মে পর্যন্ত তত্বীয় পরীক্ষা আয়োজন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৫ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৩ মে পর্যন্ত চলার কথা আছে।

    Monday, March 16, 2020

    ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

    ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

    জয়পুরহাট
     প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২০  
    করোনাভাইরাসের প্রেক্ষাপটে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আপাতত ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বিকেলে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হবে। 
    শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরাও বন্ধ ঘোষণা করবো। বিকেলে বৈঠক করে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।
    এর আগে রোববার দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে শুধু পরামর্শ দিয়েছে। গতকাল সকালেই দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের প্রেক্ষাপটে সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এ রিটে দেশের স্থল, নৌ এবং বিমানবন্দরও বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। 
    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি উঠেছিল। ৮ মার্চ ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর কথা জানালেও গত শনিবার দুপুরে আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই। যে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের সবাই এখন করোনামুক্ত। পরে রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালিক জানান, দেশে আরো দুজন আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্ত দুজনের একজন ইতালি থেকে এবং অন্যজন জার্মানি থেকে সম্প্রতি দেশে এসেছেন।
    গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। পরে ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের ১৫৭টি দেশ ও অঞ্চলের জনগণ। ইতালিতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয় হাজার ৫১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৬৯ হাজার ৬১০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৭৭ হাজার ৭৭৬ জন। 
    আকাশপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন আছে প্রায় অর্ধেক পৃথিবী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাসের এখন কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপ।

    Sunday, March 15, 2020

    তারুণ্যের ভাবনায় `বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চ

    ৭ মার্চ, বাংলাদেশের ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণ। এ দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির জন্য যে ঘোষণা দিয়েছিলেন তাতে দেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লার মানুষ আশা ও আস্থা দুটিই পেয়েছিলেন। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালির স্বাধীনতার এ মহান নায়ক মুক্তির সংগ্রামের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর এরমধ্য দিয়েই ঘোষিত হয় জাতির মুক্তির পথ। 
    এ ভাষণে উজ্জীবিত হয়েই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল লাখো বাঙালি। তরুণ প্রজন্ম এখনো এ ভাষণে নব উদ্যেমে চলার শক্তি খুঁজে পায়। তারুণ্যের ভাবনায় বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চের ভাষণের এই গল্প জানাচ্ছেন ফারুক রহমান।
    রিমন হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা চলে এসেছিল। কারো আর বুঝতে বাকি ছিল না অতি দ্রুতই বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামক নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটতে যাচ্ছে। প্রতিটি দেশপ্রেমিক বাঙালির হৃদয়েই বঙ্গবন্ধু রয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ থেকে আমরা তরুণ প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হই, শাণিত হয় আমাদের দেশপ্রেমের চেতনা। বঙ্গবন্ধুর শুধু বাংলাদেশ নয় তিনি সারা বিশ্বের জন্য আদর্শ হয়ে আছেন। তার ভাষণও বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণ।
    পূজা মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
    যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। কবির এই চরণ থেকেই যে কেউ উপলব্ধি করতে পারে বঙ্গবন্ধুকে। বাঙালির অবিসংবাদিত এ নেতা দেশের প্রতিটি মানুষকে পরাধীনতার শেকল থেকে মুক্ত করেছেন। মুক্তির সংগ্রামের মাহেন্দ্রক্ষণ ছিল ৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রতিটি দেশপ্রেমিক উজ্জীবিত হয়েছিল শোষকদের শেকল থেকে বেরিয়ে আসার সংগ্রামের জন্য। বঙ্গবন্ধু ও তার ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দই আমাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। যেকোনো ন্যায়ের পক্ষের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু তারুণ্যের পথিকৃৎ।
    অভিজিৎ দেবনাথ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
    বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে ৭ মার্চ এক অবিস্মরণীয় দিন। আমরা যারা স্বাধীনতার পরে জন্মগ্রহণ করেছি, এ ভাষণটি সরাসরি দেখতে বা শুনতে না পারলেও প্রযুক্তির কল্যাণে আজও যখন শুনি আমরা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়, নব উদ্যোমে চলার প্রেরণা পাই। ৭১ এর ৭ মার্চে দীর্ঘদিনের শোষণ আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠ ধ্বনিত হয়েছিল। ৭ মার্চের ভাষণ বর্তমান প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখায় অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কীভাবে প্রতিবাদী হতে হয়, মাথা নত না করে ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে হয়।
    দৃষ্টি সাহা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
    এক মহাজাগরণে শামিল হয়ে বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করতে যিনি অগ্রনায়ক হয়ে কাজ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু। তার ৭ মার্চের ভাষণই সব বাঙালিকে এক করেছিল। আমরা তরুণরা বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে চাই। বঙ্গবন্ধু আমাদের সত্যের ও সুন্দরের পথ দেখিয়ে গেছেন। কোনো বাঙালিই তাকে ভুলবে না। এই ভাষণ বঙ্গবন্ধুকে আরও অনন্য করেছে।
    সাইফ মাহমুদ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
    একজন মানুষ কীভাবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত করতে পারে তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ বঙ্গবন্ধু ও তার ৭ মার্চের ভাষণ। যার দ্বিতীয় নজির আর নেই। বাংলাদেশকে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে ও ভালোবাসতে হবে। তার ভাষণে আমরা স্বাধীনতার প্রায় পাঁচ দশক পরেও উজ্জীবিত হয়। যেকোনো ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিপক্ষে অনুপ্রেরণা পাই। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে আমরা লালন করে বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।