Sunday, March 15, 2020

তারুণ্যের ভাবনায় `বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চ

৭ মার্চ, বাংলাদেশের ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণ। এ দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির জন্য যে ঘোষণা দিয়েছিলেন তাতে দেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লার মানুষ আশা ও আস্থা দুটিই পেয়েছিলেন। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালির স্বাধীনতার এ মহান নায়ক মুক্তির সংগ্রামের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর এরমধ্য দিয়েই ঘোষিত হয় জাতির মুক্তির পথ। 
এ ভাষণে উজ্জীবিত হয়েই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল লাখো বাঙালি। তরুণ প্রজন্ম এখনো এ ভাষণে নব উদ্যেমে চলার শক্তি খুঁজে পায়। তারুণ্যের ভাবনায় বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চের ভাষণের এই গল্প জানাচ্ছেন ফারুক রহমান।
রিমন হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা চলে এসেছিল। কারো আর বুঝতে বাকি ছিল না অতি দ্রুতই বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামক নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটতে যাচ্ছে। প্রতিটি দেশপ্রেমিক বাঙালির হৃদয়েই বঙ্গবন্ধু রয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ থেকে আমরা তরুণ প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হই, শাণিত হয় আমাদের দেশপ্রেমের চেতনা। বঙ্গবন্ধুর শুধু বাংলাদেশ নয় তিনি সারা বিশ্বের জন্য আদর্শ হয়ে আছেন। তার ভাষণও বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণ।
পূজা মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। কবির এই চরণ থেকেই যে কেউ উপলব্ধি করতে পারে বঙ্গবন্ধুকে। বাঙালির অবিসংবাদিত এ নেতা দেশের প্রতিটি মানুষকে পরাধীনতার শেকল থেকে মুক্ত করেছেন। মুক্তির সংগ্রামের মাহেন্দ্রক্ষণ ছিল ৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রতিটি দেশপ্রেমিক উজ্জীবিত হয়েছিল শোষকদের শেকল থেকে বেরিয়ে আসার সংগ্রামের জন্য। বঙ্গবন্ধু ও তার ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দই আমাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। যেকোনো ন্যায়ের পক্ষের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু তারুণ্যের পথিকৃৎ।
অভিজিৎ দেবনাথ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে ৭ মার্চ এক অবিস্মরণীয় দিন। আমরা যারা স্বাধীনতার পরে জন্মগ্রহণ করেছি, এ ভাষণটি সরাসরি দেখতে বা শুনতে না পারলেও প্রযুক্তির কল্যাণে আজও যখন শুনি আমরা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়, নব উদ্যোমে চলার প্রেরণা পাই। ৭১ এর ৭ মার্চে দীর্ঘদিনের শোষণ আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠ ধ্বনিত হয়েছিল। ৭ মার্চের ভাষণ বর্তমান প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখায় অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কীভাবে প্রতিবাদী হতে হয়, মাথা নত না করে ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে হয়।
দৃষ্টি সাহা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
এক মহাজাগরণে শামিল হয়ে বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করতে যিনি অগ্রনায়ক হয়ে কাজ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু। তার ৭ মার্চের ভাষণই সব বাঙালিকে এক করেছিল। আমরা তরুণরা বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে চাই। বঙ্গবন্ধু আমাদের সত্যের ও সুন্দরের পথ দেখিয়ে গেছেন। কোনো বাঙালিই তাকে ভুলবে না। এই ভাষণ বঙ্গবন্ধুকে আরও অনন্য করেছে।
সাইফ মাহমুদ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
একজন মানুষ কীভাবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত করতে পারে তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ বঙ্গবন্ধু ও তার ৭ মার্চের ভাষণ। যার দ্বিতীয় নজির আর নেই। বাংলাদেশকে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে ও ভালোবাসতে হবে। তার ভাষণে আমরা স্বাধীনতার প্রায় পাঁচ দশক পরেও উজ্জীবিত হয়। যেকোনো ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিপক্ষে অনুপ্রেরণা পাই। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে আমরা লালন করে বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

সোমবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সভা

জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০২০  
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি সভা আগামী সোমবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে সন্ধ্যা ৭টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 
এতে আরো বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করবেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন।

করোনা নিয়েও নিকৃষ্ট রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে বিএনপি

 জাগ্রত জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২০  

বিএনপি করোনাভাইরাস নিয়েও নিকৃষ্ট রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ঢাকা মহানগরের অন্তর্গত দলীয় সংসদ সদস্যদের এক যৌথসভায় তিনি এমন অভিযোগ করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নামে সংগঠনটি আজকে আন্দোলন, নির্বাচনে ব্যর্থ। আজকে তারা আইনি লড়াইয়ে ব্যর্থ হয়ে বেগম জিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে রাজনীতি করে বেড়াচ্ছে, ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। করোনাভাইরাস নিয়েও তারা সেই নিকৃষ্ট রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, আমি তাদের (বিএনপি) অনুরোধ করব এ ধরনের একটা মানবিক ও সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে রাজনীতির বিষোদগার করা থেকে বিরত থাকবে। সব বিষয় নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যারা সরকারের আন্তরিকতায় ঘাটতি খুঁজে তারা রাজনৈতিক কারণে এটা করছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা জাতীয়ভাবে এ বিষয়টি কীভাবে মোকাবিলা করব। আমাদের মধ্যে আজকে কর্মসম্পর্ক পর্যন্ত নেই, এমন পরিস্থিতি আজকে বিএনপি ৭৫-এর পর থেকে সৃষ্টি করেছে। ২১ আগস্টে কর্মসম্পর্কের অলঙ্ঘনীয় দেয়াল আরও উঁচু করেছে। করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। এটা সারাবিশ্বের গণস্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা। অনেক দেশে আক্রান্ত হচ্ছে, আমরা প্রস্তুত আছি বলেই এটা আমাদের দেশে বিস্তার হয়নি।
এ সময় করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের উপস্থিতির সঙ্গে সরকার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশ একমাত্র দেশ সবার আগে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। প্রস্তুতির ব্যাপারে কোনো ঘাটতি আমাদের নেই। যে কারণে ইতালি থেকে যে দুজন প্রবাসী এসেছে, প্রস্তুতি আছে বলেই তাদের সংক্রমণের বিষয়টি ধরা পড়েছে। তাদের ব্যাপারে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তাদের দুজন থেকে আর একজনের আক্রান্ত হয়েছে, তার বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ছাড়া নতুনভাবে আক্রান্তের খবর নেই। সরকার সার্বিকভাবে এ ব্যাপারে প্রস্তুত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকার সবচেয়ে বেশি আন্তরিক। সরকারের প্রমাণ এখানেই মুজিববর্ষের মত এরকম আয়োজন শতবর্ষ, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষিকী অনুষ্ঠান পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সিদ্ধান্ত নিয়ে করেছেন। আজকে মানুষ জীবন আগে, তারপর অনুষ্ঠান।
তিনি বলেন, এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের সভা সমাবেশ এবং সেমিনার বন্ধ থাকবে। এ সময় ঘরোয়া কর্মসূচিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন তিনি।
আগামী জুন মাসের মধ্যে আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগ এবং যুব মহিলা লীগকে কেন্দ্রীয় সম্মেলন শেষ করারও নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

দলমত নির্বিশেষে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান ১৪ দলের

জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০২০  
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।
বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের বাসভবনে এক জরুরি বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। 
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, করোনা নিয়ে রাজনীতি না করে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। এনিয়ে কোনো রাজনীতি নয়, কোন সমালোচনা নয়। শুধু রাজনীতির জন্য সমালোচনা না করে করোনা মোকাবিলা করার জন্য কোন পরামর্শ থাকলে তা দিয়ে সহযোগিতা করেন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার কাজ করা উচিৎ।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সংক্ষিপ্ত কমসূচি ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে ১৪ দলের মুখপাত্র বলেন, আওয়ামী লীগের পর কেন্দ্রীয় ১৪ দলও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জনসমাগম এড়িয়ে মুজিববর্ষের কর্মসূচিতে শুধু কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা অংশ নেবেন। 
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ১৪ দলও মুজিববর্ষের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল। কিন্তু করোনা যেভাবে সারাবিশ্বে প্রভাব পড়ছে সেজন্য জনসমাগমের কথা চিন্তা করেই এই কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। এখন শুধু ছোট পরিসরে করা হবে। তাতে শুধু অংশ নেবে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। 
বিশ্বের বড় বড় কান্ট্রিতে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে উল্লেখ করে নাসিম বলেন, করোনাভাইরাসকে মোকাবিলা করতে তড়িৎ প্রবাহে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার জন্য ১৪ দল সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। এই সরকার জনবান্ধন সরকার, তাই দেশের জনগণের কথা চিন্তা করে তড়িৎ গতিতে করোনা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে। জনসেবাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। 
অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে নাসিম বলেন, মানুষের দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে অধিক মুনাফা লোভের চেষ্টা পরিহার করা উচিৎ। যারা অধিক মুনাফা পাওয়ার জন্য মাস্কের দাম বাড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান থাকবে।

জয়পুরহাটে আক্কেলপুর ফেন্সিডিলসহ একজন গ্রেফতার

জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০২০  
জয়পুরহাট জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সালাম কবির (পিপিএম) মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় ও আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এর তত্ত্বাবধানে এসআই মোঃ ফজলুল হক এবং সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আক্কেলপুর পুরাতন বাজার এর মোঃ টফি এর বসত বাড়ি নিজ ঘরের খাটের নিচে দুইটি ব্যাগের ভেতর মোট ৭৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে আক্কেলপুর থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত- মোঃ টফি(৪৮), পিতা- মৃত রমজান আলী, গ্রাম- আক্কেলপুর পুরাতন বাজার, থানা- আক্কেলপুর, জেলা- জয়পুরহাট।

পাঁচবিবিতে শতরূপা সাহিত্য পরিষদ (শসাপ) এর লাইব্রেরী উদ্বোধন

জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২০  
জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নে গত শুক্রবার  সকালে ঘটিকায় বুধইল গ্রামে শতরূপা সাহিত্য পরিষদ (শসাপ) এর কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক লাইব্রেরীর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
"প্রতিভা অন্বেষণে শতরূপা" শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে শতরূপা সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশের সাহিত্যের উপর কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি জেলায় শতরূপা কর্তৃপক্ষ একটা করে শতরূপা সাহিত্য লাইব্রেরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাট জেলায় এই গ্রন্থাগারের উদ্বোধন করা হল। 
কবি জয়নুল আবেদীন মাহমুদের সঞ্চালনায় বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব জনাব জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুল আলম বেনু। ঢাকা থেকে উপস্থিত ছিলেন, শতরূপা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কবি ও সফল সংগঠক মোঃ সোহাগ। 
কেন্দ্রীয় কমিটির দুই বারের সফল সভাপতি কবি মোঃ রুস্তম আলী,শতরূপা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সফল সভাপতি অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ,কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি কবি আকাশ হামিদ (সামাদ)।
জয়পুরহাট থেকে যোগ দিয়েছিলেন, শতরূপা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বর্তমান সময়ের সাড়া জাগানো কবি মোশারফ মুন্না,কেন্দ্রীয় কমিটির সাহিত্য সম্পাদক রফিকা খানম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মামুনুর রশীদ।
স্থানীয় কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মানবতার দেওয়ালের উদ্যোক্তা ও সংগঠক দেওয়ান রাসেল,কবি ওহাব মন্ডল,কবি তোয়াবুর রহমান তোয়া ও সাজেদুল ইসলাম টিটু। উল্লেখ্য,শতরূপা সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকার বই উদ্বোধনী পাঠাগারে প্রদান করেন শতরূপা কর্তৃপক্ষ।

পাঁচবিবির প্রতিবন্ধী-অটিস্টিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

 জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২০  
পাঁচবিবি উপজেলার সুনাম ধন্য প্রতিবন্ধীদের নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাগজানা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় (সুইড বাংলাদেশ অনুমোদিত) পরিদর্শনে আসেন রংপুর বিভাগীয় হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
বাগজানা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক  বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন বিদ্যালয়টির পৃষ্ঠপোষক রংপুর বিভাগীয় অর্থ নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম (হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা- দিনাজপুর জেলা), মোঃ মাসুদ রানা (অডিট এন্ড একাউন্টস- রংপুর), মোঃ রবিউল ইসলাম সোহাগ (ভাইস চেয়ারম্যান - এস এস ফুড এন্ড বেভারেজ কোম্পানি প্রাইভেট লিঃ দিনাজপুর), মোঃ রবিউল ইসলাম (উপজেলা একাউন্টস অফিসার- বিরামপুর-দিনাজপুর), বাগজানা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ লুৎফর রহমান, নিখিল চন্দ্র দাস (শিক্ষক ঢাকা-দক্ষিন নাখালপাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়), বাগজানা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বাবু দুলাল অধিকারী, বিদ্যালয়ের নির্বাহী সচিব বাবু দীপঙ্কর অধিকারী (রিপন) সহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীগণ।
পরিশেষে পরিদর্শকগণ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীকক্ষ পরিদর্শন ও প্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রীদের হাতে চকলেট তুলে দিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং গ্রপ ছবিতে মিলিত হন।

জয়পুরহাটে নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ তিনজন আটক

জয়পুরহাট
 প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২০  

জয়পুরহাট জেলায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনাকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের এসআই (নিঃ) মোঃ আমিরুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ পাঁচবিবি থানার ভিমপুর বাসস্ট্যান্ড এর সামনে হতে ২০০ পিচ ইয়াবাসহ ১। মোছাঃ সেলিনা(২৫), স্বামী-মোঃ শাহাবুল, ২। মোছাঃ বুলবুলি(৪৫), স্বামী-মোঃ হাসেন আলী, উভয়সাং- উত্তর গোপালপুর, থানা-পাঁচবিবি, জেলা-জয়পুরহাটদ্বয়কে আটক করেন।
পৃথক অভিযানে জয়পুরহাট সদর থানার এসআই(নিঃ) মোঃ মিজানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ জয়পুরহাট থানাধীন পুরানাপৈল গ্রামে হিচমী বাইপাস টু হিলিগামী পাকা রাস্তার উপর হতে ৫৫ পিচ ইয়াবাসহ মোঃ আফজাল হোসেন (৪১), পিতা-মৃত আব্দুর রহমান, গ্রাম-পূর্ব পারুলিয়া , থানা ও জেলা-জয়পুরহাটকে আটক করেন।

জয়পুরহাটে সিঙ্গাপুর ফেরত যুবক হোম কোয়ারেন্টাইনে

জয়পুরহাট

 প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২০  

14

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সিঙ্গাপুরফেরত এক যুবককে (২৫) শনিবার রাত থেকে হোম কেয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাধেশাম আগরওয়ালা শনিবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
স্থানীয় ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ওই যুবক গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন। পরে নীলসাগর এক্সপ্রেক্সে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আক্কেলপুর রেলস্টেশনে নামেন। এরপর তিনি কাজ শেষ করে নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার খাদাইল গ্রামে তার নানার বাড়ি যান। পরে বিকেলে তিনি আক্কেলপুর পৌর সদরের শ্রীকৃষ্টপুর গ্রামে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাধেশাম আগরওয়ালা বলেন, শনিবার রাতেই সিঙ্গাপুরফেরত ওই যুবকের বাড়ি গিয়েছিলাম। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। আমরা তাকে হোম কেয়ারেন্টাইনে রেখেছি।
মুঠোফোনে ওই যুবক বলেন, সিঙ্গাপুরে আমার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশে আসার পর বিমানবন্দরেও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে। এখন নিজ বাড়িতে আছি। শনিবার রাতে চিকিৎসকের একটি দল বাড়িতে এসে আমাকে ১৪ দিন একা থাকার নির্দেশনা দিয়েছে।
জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা বলেন, জয়পুরহাট জেলায় এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে আসা চার ব্যক্তিকে হোম কেয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।