Wednesday, March 25, 2020

জয়পুরহাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতা বাড়াতে নিজেই মাইক ধরলেন ইউএনও


জয়পুরহাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষদের করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে নিজেই মাইক ধরলেন ইউএনও মিল্টন চন্দ্র রায়। সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে লোকসমাগম কমাতে তার এই উদ্যোগ প্রশংশিত হয়েছে।
ইউএনও বলেন, গ্রামাঞ্চলের হাট বাজারগুলোতে এখনো ব্যাপকহারে লোক সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। লোক সমাগম কমাতে এবং করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচ পালন করা হচ্ছে।
সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা জানান, ইতোমধ্যে স্থানীয় ভাবে সংগৃহীত ১০ লাখ টাকার পিপিই সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের সময় নিজেদের কি ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা (পিপিই) গ্রহণ করা দরকার সে বিষয়ে স্থানীয় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের রোববার থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
অপরদিকে, হোম কোয়ারেন্টাইন না মানার কারণে ব্রুনাই থেকে আসা সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের সবুজ হোসেনের ৫ হাজার ও দেব্রাইল গ্রামের ওবায়দুলকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মোনাববর হোসেন।
জেলায় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১৪৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা রয়েছে। যা গত ২৪ ঘন্টায় ৫০ জন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা।
সিভিল সার্জন অফিসের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, জেলার পাঁচ উপজেলায় সোমবার সকাল পর্যন্ত বিদেশ থেকে আসা ১৪৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে একজন রয়েছেন আক্কেলপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে।
এদিকে, হোম কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এ পর্যন্ত ১৩ জনকে মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় স্থানীয় গরুর হাট, যত্রতত্র থাকা চায়ের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: